1. admin@voiceofnaogaon.com : admin :
হিসাব মিলছে না পকেটের, নিত্যপণ্যের দাম চড়া - ভয়স অফ নওগাঁ
মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ১১:৩০ পূর্বাহ্ন
প্রধান খবর
ঈদের শুভেচ্ছা ও সতর্কতা জানিয়েছেন জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার শাহ্ ইফতেখার আহমেদ আহমেদ পিপিএম (বার) নবনির্বাচিত ভাইস-চেয়ারম্যান পপি’র বিরুদ্ধে অপপ্রচার নওগাঁ ব্লাড সার্কেলের বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উদযাপন রির্জাভের গাছ চোরকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ কুষ্টিয়া শহরের পুরাতন আলফা মোড় এলাকায় সন্ত্রাসী হামলায় একজন গুরুতর আহত সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি নওগাঁয় নেশাগ্রস্ত হয়ে বাড়ি ফেরায় ছেলের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেলো বাবার কারিতাসের উদ্যোগে শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য মিডিয়া এ্যাডভোকেসী ৪০ শতাংশ জমিতে ওলকচু চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন কৃষক আবু বক্কর সিদ্দিক বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের জেসিএমএস বিভাগের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ সমাপনী প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনা’র কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আলোচনা সভা, দোয়া, মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

হিসাব মিলছে না পকেটের, নিত্যপণ্যের দাম চড়া

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৮ জুন, ২০২৪

অর্থনীতি ডেস্ক 

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উৎসে কর কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। নিয়মানুযায়ী বাজেট ঘোষণার পরদিন থেকেই তা কার্যকর হওয়ার কথা। তবে গতকাল শুক্রবার বাজারে এর কোনো প্রভাব পড়তে দেখা যায়নি। চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যগুলো আগের মতো চড়া দামেই বিক্রি হয়েছে। বরং কোনো কোনো পণ্য আগের সপ্তাহের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে। ফলে বাজারে গিয়ে ফর্দ মিলিয়ে কেনাকাটা করতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

গতকাল রাজধানীর রামপুরা, শান্তিনগর ও বাড্ডা এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ৮৫-১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছিল পেঁয়াজ। দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে ৪ জুন থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। তবে বাজারে পেঁয়াজের দাম কমার বদলে উল্টো বেড়েছে। গতকাল বিভিন্ন বাজারে আমদানি করা পেঁয়াজ কেজি ৯৫-১০০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৮০-৮৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫-১৫ টাকা। আর গত বছরের তুলনায় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ২০-২৫ টাকা।

রামপুরা বাজারের দোকানি আবদুল আলীম বলেন, ‘পেঁয়াজের দাম আড়তেই বেশি। শুনছি গুদাম গেটেই দাম ৭০-৮০। এ বছর পেঁয়াজের দাম আর কমব না।’কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, মূলত ঈদ সামনে রেখে পেঁয়াজের দাম বাড়ানো হচ্ছে। সে কারণে আমদানি করেও লাগাম টানা যাচ্ছে না।

গতকাল প্রতি ডজন ফার্মের লাল ডিম ১৬০ টাকা, হালি ৫৫ টাকা এবং প্রতিটি ১৪-১৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। আলু বিক্রি হয়েছে কেজি ৬০-৬৫ টাকায়। চাল ও ডালের দামও সামান্য বেড়েছে। মোটা স্বর্ণা চাল সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২-৪ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছিল ৫৪-৫৮ টাকায়। আর সরু মিনিকেট ৭৫ টাকা কেজি দরে। অন্যদিকে মসুর ডাল মানভেদে ১০৫-১৪০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

শান্তিনগর বাজারে সপ্তাহের কেনাকাটা করতে আসা শাহনাজ আক্তার বলেন, ‘এক কেজি করে চাল, ডাল, আলু আর এক ডজন ডিম কিনতেই ৪০০ টাকা শেষ। এর সঙ্গে যদি পেঁয়াজ, সবজি আর অন্যান্য প্রয়োজনীয় মসলা কিনতে যাই, তাহলে হাজার টাকার নিচে পারা যাচ্ছে না।’

সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁপে, বেগুন, করলার দাম সামান্য কমেছে। গতকাল পেঁপে ৫০-৫৫ টাকা, বেগুন ৬০-৮০ টাকা আর করলা ৬০-৬৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এ ছাড়া চিচিঙ্গা, ঝিঙে, ঢ্যাঁড়স ৫৫-৬৫ টাকা, কচুরমুখি, বরবটি ও টমেটোর কেজি ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

মাংসের বাজারেও নেই কোনো সুখবর। সপ্তাহের মাঝামাঝি ব্রয়লার মুরগির দাম সামান্য কমলেও সপ্তাহান্তে এসে তা আবার বেড়েছে। গতকাল প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২০০-২১০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গরুর মাংসও ৭৫০-৮০০ টাকায় স্থির ছিল। খাসির মাংস বিক্রি হয় ১১০০-১২০০ টাকা দরে।

ক্যাব সভাপতি গোলাম রহমান মনে করেন, নিত্যপণ্যের মূল্য নাগালের মধ্যে আসার কোনো সম্ভাবনা নেই। তিনি বলেন, দাম একবার বেড়ে গেলে সেটা আর কমে না। এখন সরকারের উচিত সাধারণ মানুষের আয় কীভাবে বাড়ানো যায়, সেটা ভাবা। তাহলে নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনের প্রক্রিয়াধীন।
Powered by: Nfly IT