1. admin@voiceofnaogaon.com : admin :
কাজ করছে না অ্যান্টিবায়োটিক প্রতি বছর ১ কোটি মানুষের মৃত্যুশঙ্কা! - ভয়স অফ নওগাঁ
মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ১১:২২ পূর্বাহ্ন
প্রধান খবর
ঈদের শুভেচ্ছা ও সতর্কতা জানিয়েছেন জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার শাহ্ ইফতেখার আহমেদ আহমেদ পিপিএম (বার) নবনির্বাচিত ভাইস-চেয়ারম্যান পপি’র বিরুদ্ধে অপপ্রচার নওগাঁ ব্লাড সার্কেলের বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উদযাপন রির্জাভের গাছ চোরকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ কুষ্টিয়া শহরের পুরাতন আলফা মোড় এলাকায় সন্ত্রাসী হামলায় একজন গুরুতর আহত সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি নওগাঁয় নেশাগ্রস্ত হয়ে বাড়ি ফেরায় ছেলের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেলো বাবার কারিতাসের উদ্যোগে শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য মিডিয়া এ্যাডভোকেসী ৪০ শতাংশ জমিতে ওলকচু চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন কৃষক আবু বক্কর সিদ্দিক বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের জেসিএমএস বিভাগের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ সমাপনী প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনা’র কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আলোচনা সভা, দোয়া, মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

কাজ করছে না অ্যান্টিবায়োটিক প্রতি বছর ১ কোটি মানুষের মৃত্যুশঙ্কা!

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ মে, ২০২৪

স্বাস্থ্য ডেস্ক 

কিছুদিন আগেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) আশঙ্কা প্রকাশ করে জানিয়েছিল, দ্রুতগতিতে ‘অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স’ (এএমআর) তৈরি হচ্ছে। অ্যান্টিবায়োটিকে আর কাজ হচ্ছে না, ফলে প্রাণঘাতী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। এবার সেই সতর্কবার্তারই পুনর্ব্যক্ত করা হলো একটি ভারতীয় গবেষণাপত্রে।

গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে ‘ল্যানসেট রিজিওনাল হেল্থ— সাউথইস্ট এশিয়া’ নামক জার্নালে। এতে বলা হয়েছে, এমনিতেই নতুন ওষুধের অভাব, তার মধ্যে পুরোনো অ্যান্টিবায়োটিকগুলি আর কাজ দিচ্ছে না। ফলে চিকিৎসা খাতে জটিল পরিস্থিতির সৃষ্ট হয়েছে।

ভারতীয় গবেষণা সংস্থা ‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ’ (আইসিএমআর)-এর এএমআর সার্ভেল্যান্স নেটওয়ার্কভুক্ত ২১টি কেন্দ্র থেকে মোট ৬ বছরের তথ্য সংগ্রহ করে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) বিশ্লেষণ করে দেখা হয়েছে। অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল ওষুধ যখন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক ও অন্যান্য পরজীবীর সংক্রমণ কমাতে আর কাজ করে না, সেই পরিস্থিতিকে বলে ‘অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স’। এতে রোগীর সংক্রমণ আরও বাড়তে থাকে, এমনটি মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।

ইমার্জিং ট্রেন্ডস ইন অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স ইন ব্লাডস্ট্রিম ইনফেকশনস: মাল্টিসেন্ট্রিক লংগিচুডিনাল স্টাডি ইন ইন্ডিয়া (২০১৭-২০২২)’ শীর্ষক গবেষণাটি করেছেন আইআইটি দিল্লি ও আইসিএমআরের গবেষকরা।

গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, প্রায় অতিমারি পর্যায়ে পৌঁছে গেছে এএমআর, ফলে সমগ্র বিশ্বই বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে যাচ্ছে। রোগীদের রক্তের সংক্রমণে কীভাবে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স তৈরি হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা হয়েছে গবেষণায়। গবেষণাটির একটাই উদ্দেশ্য, তা হলো- চিকিৎসার কৌশল সন্ধান।

গবেষণাটিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ইিপেনেম ও মেরোপেনেম জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিকের ক্ষেত্রে মাসে মাসে এএমআর বাড়ছে। ক্লেবসিয়েল্লা, ই কোলাই, অ্যাসিনেটোব্যাকটরের মতো ব্যাকটেরিয়ার রক্তে সংক্রমণ ঘটলে, তার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় ওই দুটি ওষুধ। ক্লেবসিয়েল্লা ও অ্যাসিনোব্যাকটর ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণে দেখা গেছে, হাসপাতাল থেকে রোগী সংক্রমিত হলে, তাতে এএমআর আরও বেশি হচ্ছে। আবার ই কোলাই এবং ক্লেবসিয়েল্লা, এই দুই ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ রোধে ব্যবহৃত ওষুধ সেফালোস্পোরিনস ও ফ্লোরোকুইনোলোনস আর কাজ করছে না।

গবেষণাটিতে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে ৪.৯৫ শতাংশ মৃত্যু হয়েছিল এএমআর-এ। এভাবে চললে ২০৫০ সালে প্রতি বছর অন্তত ১ কোটি মানুষ মারা যাবেন অ্যান্টিবায়োটিক কাজ না করার কারণে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে কম ও মাঝারি আয়ের দেশগুলো।

গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, এএমআরের কারণে ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা’ (এসডিজি) ধাক্কা খাবে। যার ফলে ২০৩০ সালের মধ্যে লাখ লাখ মানুষ চরম দারিদ্র্যে পৌঁছবে।

সূত্র: আনন্দবাজার

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনের প্রক্রিয়াধীন।
Powered by: Nfly IT