1. admin@voiceofnaogaon.com : admin :
নওগাঁয় বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উদযাপন - ভয়স অফ নওগাঁ
মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ১১:২০ পূর্বাহ্ন
প্রধান খবর
ঈদের শুভেচ্ছা ও সতর্কতা জানিয়েছেন জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার শাহ্ ইফতেখার আহমেদ আহমেদ পিপিএম (বার) নবনির্বাচিত ভাইস-চেয়ারম্যান পপি’র বিরুদ্ধে অপপ্রচার নওগাঁ ব্লাড সার্কেলের বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উদযাপন রির্জাভের গাছ চোরকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ কুষ্টিয়া শহরের পুরাতন আলফা মোড় এলাকায় সন্ত্রাসী হামলায় একজন গুরুতর আহত সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি নওগাঁয় নেশাগ্রস্ত হয়ে বাড়ি ফেরায় ছেলের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেলো বাবার কারিতাসের উদ্যোগে শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য মিডিয়া এ্যাডভোকেসী ৪০ শতাংশ জমিতে ওলকচু চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন কৃষক আবু বক্কর সিদ্দিক বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের জেসিএমএস বিভাগের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ সমাপনী প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনা’র কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আলোচনা সভা, দোয়া, মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

নওগাঁয় বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উদযাপন

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ মে, ২০২৪

সৈয়ব আহমেদ সিয়াম,বিশেষ প্রতিনিধি

নওগাঁয় থ্যালাসেমিয়া রোগী ও স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়ে উদযাপিত হয় বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস।

নওগাঁ শহরে স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় স্থানীয় এক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে বেলা ১০ টা থেকে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। নওগাঁ ব্লাড সার্কেলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ তারিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডাক্তার আব্দুল মতিন।

ডাক্তার আব্দুল মতিন বলেন, “থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তের রোগ। থ্যালাসেমিয়া ধারণকারী মানুষ সাধারণত রক্তে অক্সিজেনস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়াতে ভুগে থাকেন। থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে তাদের সন্তানের রোগটি দেখা দিতে পারে। তাই নিজে বাহক কিনা, তা জানতে হিমোগ্লাবিন ইলেকট্রোফরেসিস টেস্ট করে নিতে হবে। থ্যালাসেমিয়ার চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধই সর্বোত্তম।

দেশে প্রায় দেড় থেকে দুই কোটি মানুষ থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক এবং কমপক্ষে প্রায় ৬০-৭০ হাজার থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশু-কিশোর রয়েছে। থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে, দীর্ঘমেয়াদী সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে পাঠ্যসূচিতে থ্যালাসেমিয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে অন্তর্ভুক্ত করা দরকার। শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য থ্যালাসেমিয়া নিয়ে সচেতনতা জরুরী। থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীরা অন্যের দেওয়া রক্তের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকেন। কিন্তু, প্রয়োজনের তুলনায় রক্তদাতার সংখ্যা অপ্রতুল হওয়ায় তাদের প্রচুর ভোগান্তি পোহাতে হয়।”

অনুষ্ঠানের সভাপতি মোঃ তারিকুল ইসলাম বলেন, “১৯৯৪ সালে থ্যালাসেমিয়া নিয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ৮ মে বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস ঘোষণা করা হলেও শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য রোগটি বাংলাদেশে অপরিচিত এবং অবহেলিতই রয়ে গেছে। নওগাঁ ব্লাড সার্কেল তার সীমিত সামর্থ্যের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের সেবা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এপর্যন্ত আমরা বিভিন্ন রোগীদের পাঁচ হাজারের অধিক ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করে দিয়েছি। এছাড়াও প্রতি মাসে ২২ জন থ্যালাসেমিয়া রোগীর রক্ত সংগ্রহের দায়িত্ব নিয়েছি।”

উপস্থিত থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশু মারজিয়ার মা বলেন, “আমার মেয়ে ছয় বছরের শিশু। প্রথম প্রথম রক্তদাতা খুঁজে পেতে আমার খুব কষ্ট হতো। নওগাঁ ব্লাড সার্কেলের সাথে যোগাযোগের পর থেকে নিশ্চিন্ত থাকি এখন। ওরা সম্মানের সাথে ব্লাড খুঁজে এনে দেয়।”

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২ অক্টোবর প্রতিষ্ঠা হয় নওগাঁ ব্লাড সার্কেল। স্বেচ্ছাসেবী এই সংগঠনটি রক্তদান ও থ্যালাসেমিয়া সচেতনতায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনের প্রক্রিয়াধীন।
Powered by: Nfly IT