1. admin@voiceofnaogaon.com : admin :
টাঙ্গুয়ার হাওরে বুয়েট শিক্ষার্থী সহ শিবির সংশ্লিষ্ট ৩৪জন আটক, তদন্তে সিআইডি - ভয়স অফ নওগাঁ
মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন
প্রধান খবর
ঈদের শুভেচ্ছা ও সতর্কতা জানিয়েছেন জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার শাহ্ ইফতেখার আহমেদ আহমেদ পিপিএম (বার) নবনির্বাচিত ভাইস-চেয়ারম্যান পপি’র বিরুদ্ধে অপপ্রচার নওগাঁ ব্লাড সার্কেলের বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উদযাপন রির্জাভের গাছ চোরকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ কুষ্টিয়া শহরের পুরাতন আলফা মোড় এলাকায় সন্ত্রাসী হামলায় একজন গুরুতর আহত সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি নওগাঁয় নেশাগ্রস্ত হয়ে বাড়ি ফেরায় ছেলের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেলো বাবার কারিতাসের উদ্যোগে শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য মিডিয়া এ্যাডভোকেসী ৪০ শতাংশ জমিতে ওলকচু চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন কৃষক আবু বক্কর সিদ্দিক বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের জেসিএমএস বিভাগের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ সমাপনী প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনা’র কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আলোচনা সভা, দোয়া, মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

টাঙ্গুয়ার হাওরে বুয়েট শিক্ষার্থী সহ শিবির সংশ্লিষ্ট ৩৪জন আটক, তদন্তে সিআইডি

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৪

শিক্ষা ডেস্ক

প্রায় ১ বছর ধরে নিশ্চুপ বুয়েট প্রশাসন টাঙ্গুয়ার হাওরে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২৪ শিক্ষার্থী সহ মোট ৩৪ জনকে শিবির সংশ্লিষ্ট হিসেবে ‘গোপন ষড়যন্ত্র ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার আশঙ্কায়’ আটকের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। ঘটনার প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেলেও বিষয়টি নিয়ে নিশ্চুপ ছিলো বুয়েট প্রশাসন।

২০২৩ সালের ৩০ জুলাই সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর থেকে বুয়েটের ২৪ জন শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৩৪ শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ৩১ জুলাই এ ঘটনায় সুনামগঞ্জের তাহিরপুর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে। কিন্তু ঘটনার প্রায় ১ বছর হতে গেলেও এই মামলার কোন অগ্রগতি নেই। উল্টো মামলায় জামিনে ছাড়া পেয়ে বুয়েটে ফিরে ক্লাসও শুরু করে সংশ্লিষ্টরা। শুধু তাই নয় এ ঘটনায় জামিনে মুক্তি পেয়ে ক্লাসও শুরু করে শিবির সংশ্লিষ্টতা থাকার অভিযোগে আটক এই শিক্ষার্থীরা।

এখানে গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের ২৪ জনই বুয়েটের। অন্যরা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন বুয়েটের শিক্ষার্থী আফিফ আনোয়ার, বখতিয়ার নাফিস, মো. সাইখ, ইসমাইল ইবনে আজাদ, সাব্বির আহম্মেদ, তাজিমুর রাফি, মো. সাদ আদনান, মো. শামীম আল রাজি, মো. আবদুলাহ আল মুকিত, মো. জায়িম সরকার, হাইছাম বিন মাহবুব, মাহমুদুর হাসান, খালিদ আম্মার, মো. ফাহাদুল ইসলাম, তানভির আরাফাত, এ টি এম আবরার মুহতাদী, মো. ফয়সাল হাবিব, আনোয়ারুল্লাহ সিদ্দিকী, আলী আম্মার মৌয়াজ, মো. রাশেদ রায়হান, সাকিব শাহরিয়ার, ফায়েজ উস সোয়াইব, আবদুর রাফি ও মাঈন উদ্দিন। অন্যরা হলেন আবদুল বারি, মো. বাকি বিল্লাহ, মাহাদি হাসান, টি এম তানভির হোসেন, আশ্রাফ আলী, মো. মাহমুদ হাসান, মো. এহসানুল হকন, রাইয়ান আহম্মেদ, তানিমুল ইসলাম ও মো. আবদুল্লাহ মিয়া।

তৎকালীন সময় এ ঘটনায় সুনামগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মোমতাজুল হাসান আবেদ গণমাধ্যমকে জানান, আটককৃতদের মধ্যে তাদের ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা রয়েছেন।

সম্প্রতি বুয়েটে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীর তাদের জিহাদী বার্তা ও খেলাফত প্রতিষ্ঠানে বুয়েট শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে তাদের একাডেমিক ই-মেইল অ্যাড্রেসে মেইল করে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের থেকে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এরই মধ্যে শুরু হয় শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বর্জনের কার্যক্রম। তবে এই পরীক্ষা বর্জনের কার্যক্রমে যারা উস্কানি দিচ্ছে তাদের কেউ হিযবুতের কার্যক্রম বা শিবিরের কার্যক্রম নিয়ে পরীক্ষা বর্জনকারীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করছে না।

বুয়েটে শিবিরের সক্রিয় রাজনীতির কথা সংগঠনটির একজন নেতা সরাসরি স্বীকার করলেও এ বিষয়টিকে পরীক্ষা বর্জনে উস্কানিদাতা গোষ্ঠী ‘গুজব’ ও ‘মিথ্যা তথ্য’ হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করে। যখন সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের বক্তব্যে হিযবুত তাহরীর ও শিবিরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানায়, তখন থেকে হিযবুত ও শিবিরের পক্ষ থেকে পরীক্ষা বর্জন কার্যক্রমের তাদের সংহতির কথা জানিয়ে প্রচারণা শুরু করে। মূলত ছাত্র রাজনীতিকে কেন্দ্র করে চলমান এই কার্যক্রমে মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলোর সরাসরি সম্পৃক্ততার কারণেই টাঙ্গুয়ার হাওরে আটক ৩৪ জনের বিষয়টি বারবার আলোচনায় আসে।

তবে এই শিক্ষার্থীরা আটকের পর তাদের মুক্তির দাবি জানিয়েও বুয়েটে আওয়াজ তোলে কিছু শিক্ষার্থী। যদিও পরবর্তীতে তাদের শিবির সম্পৃক্ততার বিষয়টি জামায়াত নেতা দ্বারা প্রমাণিত হওয়ার পর সেই দাবি থেকে পিছু হটে তারা। এ ঘটনায় শিবির সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তদন্তের দাবি জানিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করলে তাদেরকে হলে ও মাঠে ডেকে নিয়ে অপমানও করা হয়। এ বিষয়েও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বুয়েট প্রশাসন। বরং শিবির সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে আটক শিক্ষার্থীরা বুয়েট সাংবাদিক সমিতির বিভিন্ন পদে অবস্থান করে এই ফেসবুক পেজ ভিত্তিক গুজব তৈরির মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভিন্ন পথে পরিচালিত করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীদের।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনের প্রক্রিয়াধীন।
Powered by: Nfly IT